সর্বশেষ সংবাদ
Home / জাতীয় / প্রধানমন্ত্রী ইসিকে ধন্যবাদ জানাল সুষ্ঠু ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের জন্য

প্রধানমন্ত্রী ইসিকে ধন্যবাদ জানাল সুষ্ঠু ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের জন্য

সময়ের নুর ডেস্ক :

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন
চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর শুক্রবার (২৫ জানুয়ারী) জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বলেন, “এখন আমাদের প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, “এই ঐক্যের যোগসূত্র হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাম্য ও ন্যায়বিচার এবং উন্নয়ন ও অগ্রগতি।”

“বিজয়ের পর আমরা সরকার গঠন করেছি। সরকারের দৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিক সমান। আমরা সবার জন্য কাজ করব। সরকারি সেবাখাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় জীবনের সর্বত্র আইনের শাসন সমুন্নত রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করব। জাতীয় সংসদ হবে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু।

আওয়ামী লীগ গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৫৭টি আসনে জয় পেয়েছে । জোটগতভাবে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৮টি। ইতোমধ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয়বারের মত সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ।

অন্যদিকে বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সব মিলিয়ে পেয়েছে আটটি আসন তাদের ভরাডুবি হয়েছে এবারের নির্বাচনে ।

বিএনপি সংসদে না যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে , ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চরম কারচুপির অভিযোগ এনে ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “একাদশ সংসদে বিরোধীদলের সদস্য সংখ্যা নিতান্তই কম। তবে, সংখ্যা দিয়ে আমরা তাদের বিবেচনা করব না। সংখ্যা যত কমই হোক, সংসদে যে কোনো সদস্যের ন্যায্য ও যৌক্তিক প্রস্তাব/আলোচনা/সমালোচনার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। আমি বিরোধীদলের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিয়ে সংসদে যোগদানের আহ্বান জানাচ্ছি।

২০০৯ সাল থেকে একটানা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে আসা শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধেও হুঁশিয়ারি উচ্চাররণ করেছেন তার ভাষণে।

“আমি জানি, দুর্নীতি নিয়ে সমাজের সর্বস্তরে অস্বস্তি রয়েছে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের নিজেদের শোধরানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি উচ্ছেদ করা হবে।”

মাদক, জঙ্গি তৎপরতা এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযানে সাফল্য পাওয়ার কথা তুলে ধরে তা অব্যাহত রাখার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, “আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যেখানে হিংসা-বিদ্বেষ হানাহানি থাকবে না। সকল ধর্ম-বর্ণ এবং সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন। সকলে নিজ নিজ ধর্ম যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করতে পারবেন।“

শেখ হাসিনা বলেন, দশ বছর আগের বাংলাদেশের সঙ্গে আজকের বাংলাদেশের ব্যবধান ‘বিরাট’, মানুষের জীবনমান এখন ‘অনেক উন্নত’। এখন মানুষ সুন্দর করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে।

সবশেষ তিনি বলেন, “দেশকে আমরা আরও উন্নত করতে চাই। তাই সামনে অনেক কাজ আমাদের। আরও কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে সেই বন্ধুর পথ অতিক্রম করতে পারব, ইনশাআল্লাহ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

x

Check Also

রাষ্ট্রপতির ভাষণসহ ৬ এজেন্ডা: নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক কাল

অনলাইন ডেস্ক : ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ...

Shares